বে নামাযীর পরিণতি

0

   


                                                                      যারা ইচ্ছাকৃতভাবে সালাত আদায় করে না তাদেরকে বে-নামাযী বলা হয়।

বে-নামাযী শব্দটি দুটি ভাগে বিভক্ত:

  • বে: অর্থ "না"
  • নামাযী: অর্থ "যে ব্যক্তি সালাত আদায় করে"

সুতরাং, বে-নামাযী অর্থ "যে ব্যক্তি সালাত আদায় করে না"।

বে-নামাযী হওয়ার বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে, যেমন:

  • জ্ঞানের অভাব: অনেকে সালাতের গুরুত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে জানেন না, তাই তারা সালাত আদায় করে না।
  • অলসতা: কিছু লোক অলসতার কারণে সালাত আদায় করে না।
  • শয়তানের প্ররোচনা: শয়তান মানুষকে সালাত থেকে বিরত রাখার জন্য বিভিন্নভাবে প্ররোচনা দেয়।
  • ঈমানের দুর্বলতা: যাদের ঈমান দুর্বল হয় তারা সহজেই সালাত ত্যাগ করে।
  • যে ব্যক্তি পূর্ণ পাঁচ ওয়াক্ত নামায নিয়মিতভাবে আদায় করে সে হচ্ছে নামায আদায়কারী বা নামাযী। আর যে ব্যক্তি কোন এক ওয়াক্ত অথবা পাঁচ ওয়াক্ত নামায নিয়মিতভাবে ছেড়ে দেয় সে হচ্ছে বেনামাযী। অনুরূপভাবে যারা নামায আদায় করে ঠিকই, কিন্তু তা রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নির্দেশিত পন্থা অনুযায়ী করে না, তারাও বেনামাযী হিসেবে গণ্য হবে।

  • সুতরাং নিম্ন বর্ণিত লোকেরাও বেনামাযীদের অন্তর্ভুক্ত :

  • ১. যারা সারা বছর কোন নামায আদায় না করে কেবল দুই ঈদের নামায আদায় করে থাকে।

  • ২. যারা প্রত্যেক সপ্তাহে কেবল জুমু‘আর নামায আদায় করে থাকে।

  • ৩. যারা শুধুমাত্র রমাযান মাসে নামায আদায় করে থাকে।

  • ৪. যারা পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের মধ্যে কোন এক ওয়াক্ত নামায নিয়মিতভাবে ছেড়ে দেয়।

  • ৫. যারা নামায আদায় করার সময় ইচ্ছাকৃতভাবে কোন রুকন বাদ দেয়।

  • ৬. যারা নামায আদায় করার পূর্বে ভালোভাবে অযু করে না ইত্যাদি।

  • ইসলামের দৃষ্টিতে উপরোক্ত ব্যক্তিরাও বেনামাযী। কারণ তারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ﷺ এর নির্দেশনা অনুযায়ী নামায আদায় করে না। তাই আল্লাহ তা‘আলার কাছে তাদের নামাযের কোন মূল্য নেই।                                                                                                  যারা মুনাফিকদের মতো নামায আদায় করে তারাও বেনামাযীদের অন্তর্ভুক্ত                                                                                                 মুনাফিক বলা হয় ঐসব ব্যক্তিকে, যারা নিজেদের অন্তরের মধ্যে কুফর লুকিয়ে রাখে এবং বাহ্যিকভাবে নিজেদেরকে মুসলিম বলে দাবি করে। এ কারণে তাদের আমল এবং প্রকৃত মুমিনদের আমলের মধ্যে বেশ পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়- এমনকি নামাযের মতো গুরুত্বপূর্ণ আমলের ক্ষেত্রেও। নিম্নে মুনাফিকদের নামাযের বৈশিষ্ট্যসমূহ উল্লেখ করা হলো।     

  • ## **সূরা মাউন, আয়াত 4-6 : বাংলা অনুবাদ 

  • **আয়াত:**

  • **فَوَيْلٌ لِّلْمُصَلِّيْنَ ﴿٤﴾ الَّذِيْنَ هُمْ عَنْ صَلَاتِهِمْ سَاهُوْنَ ﴿٥﴾ الَّذِيْ هُمْ يُرَآءُوْنَ ﴿٦﴾**

  • **অনুবাদ:**

  • **১) **ধ্বংস তাদের জন্য, 
  • **২) **যারা তাদের সালাতের ব্যাপারে অমনোযোগী,
  • **৩) **যারা কেবল মানুষকে দেখানোর জন্য সালাত আদায় করে 

  • **১) "ধ্বংস তাদের জন্য"** : এই বাক্যটি দ্বারা আল্লাহ্ তা'আলা তীব্র ভয় ও শাস্তির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। 

  • **২) "যারা তাদের সালাতের ব্যাপারে অমনোযোগী"**: 

  • * **সালাতের সময়:** 
  •     * যারা নির্ধারিত সময়ের বাইরে সালাত আদায় করে।
  •     * যারা সালাতের জন্য দেরী করে।
  • * **সালাতের খুশু':**
  •     * যারা সালাতের সময় মনোযোগ হারিয়ে ফেলে।
  •     * যারা দুনিয়ার চিন্তায় মগ্ন থাকে।
  • * **সালাতের আদاب:**
  •     * যারা সালাতের পূর্ণাঙ্গ আদায় করে না।
  •     * যারা সালাতের ওয়াজিব ও সুন্নতগুলো পালন করে না।

  • **৩) "যারা কেবল মানুষকে দেখানোর জন্য সালাত আদায় করে"**:

  • * যারা সালাত আদায় করে কেবল লোকদের প্রশংসা ও সম্মান লাভের জন্য।
  • * যারা সালাতের সময় দীর্ঘ কায়েম থাকে, কিন্তু তাদের মনে আল্লাহ্‌র প্রতি ভয় ও خشوع থাকে না।
**فَخَلَفَ مِنۡۢ بَعۡدِہِمۡ خَلۡفٌ اَضَاعُوا الصَّلٰوۃَ وَ اتَّبَعُوا الشَّہَوٰتِ فَسَوۡفَ یَلۡقَوۡنَ غَیًّا**

**অর্থ:**

তাদের পরে এমন এক দল উত্তরাধিকারী এসেছিল যারা নামাজ নষ্ট করেছে এবং الشهوات (পশুপ্রবৃত্তি) অনুসরণ করেছে। অতএব, তারা অচিরেই ধ্বংসের সম্মুখীন হবে।

এই আয়াতটিতে আল্লাহ তা'আলা পূর্ববর্তী উম্মতের ধ্বংসের কারণ বর্ণনা করেছেন। তিনি বলছেন, তাদের পরবর্তী প্রজন্ম নামাজের প্রতি অবহেলা প্রদর্শন করে এবং পশুপ্রবৃত্তির অনুসরণ করে। এর ফলে তারা আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত হয়ে ধ্বংসের সম্মুখীন হয়।

* **فَخَلَفَ مِنۡۢ بَعۡدِہِمۡ خَلۡفٌ:** "তাদের পরে এমন এক দল উত্তরাধিকারী এসেছিল" - এই বাক্যটি পূর্ববর্তী উম্মতের পরবর্তী প্রজন্মকে বোঝায়।
* **اَضَاعُوا الصَّلٰوۃَ:** "নামাজ নষ্ট করেছে" - এর অর্থ হলো নামাজের প্রতি অবহেলা প্রদর্শন করা, নামাজের সময় নষ্ট করা, নামাজের যথাযথ রীতিনীতি পালন না করা।
* **وَ اتَّبَعُوا الشَّہَوٰتِ:** "পশুপ্রবৃত্তি অনুসরণ করেছে" - এর অর্থ হলো হালাল-হারামের বেড়াজাল ভেঙে নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী জীবনযাপন করা।
* **فَسَوۡفَ یَلۡقَوۡنَ غَیًّا:** "অতএব, তারা অচিরেই ধ্বংসের সম্মুখীন হবে" - এর অর্থ হলো আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত হয়ে তারা দুনিয়া ও আখেরাতে ধ্বংসের সম্মুখীন হবে।

সুরা মরিয়ম, আয়াত নম্বর 60
اِلَّا مَنۡ تَابَ وَ اٰمَنَ وَ عَمِلَ صَالِحًا فَاُولٰٓئِكَ یَدۡخُلُوۡنَ الۡجَنَّۃَ وَ لَا یُظۡلَمُوۡنَ شَیۡئًا ﴿ۙ۶۰﴾

বাংলা অনুবাদ:

তবে যারা তওবা করেছে, ঈমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে, তারাই জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাদের প্রতি কোন অন্যায় করা হবে না।

তাফসীর:

এই আয়াতে আল্লাহ তা'আলা বলেছেন যে, যারা নামাজের প্রতি অবহেলা প্রদর্শন করে এবং পশুপ্রবৃত্তির অনুসরণ করে তাদের জন্য শাস্তির কথা বলা হয়েছে। তবে যারা তাদের ভুল বুঝতে পেরে তওবা করে, ঈমান আনে এবং নেক আমল করে তাদের জন্য জান্নাতের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। তাদের প্রতি কোন অন্যায় করা হবে না।

এই আয়াত থেকে আমরা যে শিক্ষা লাভ করি:

তওবা, ঈমান এবং নেক আমলের মাধ্যমে আল্লাহর রহমত লাভ করা সম্ভব।
যারা তাদের ভুল বুঝতে পেরে তওবা করে আল্লাহ তাদের ক্ষমা করে দেন।
নেক আমলের মাধ্যমে জান্নাত অর্জন করা সম্ভব।

  • ## سورة النساء, আয়াত ১৪২: 

  • **আরবী:**

  • إِنَّ الْمُنَافِقِينَ يُخَادِعُونَ اللَّهَ وَهُوَ خَادِعُهُمْ ۚ وَإِذَا قَامُوا إِلَى الصَّلَاةِ قَامُوا كُسَالَىٰ يُرَاءُونَ النَّاسَ وَلَا يَذْكُرُونَ اللَّهَ إِلَّا قَلِيلًا ﴿١٤٢﴾

  • **বাংলা অনুবাদ:**

  • নিশ্চয়ই মুনাফিকরা আল্লাহকে প্রতারণা করে, আর আল্লাহ তাদেরকে প্রতারণা করেন। আর যখন তারা নামাযের জন্য দাঁড়ায়, তখন অলসভাবে দাঁড়ায়, মানুষকে দেখানোর জন্য, আর আল্লাহকে অল্পই স্মরণ করে

  • এই আয়াতে মুনাফিকদের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকটি বৈশিষ্ট্য হলো:

  • * **তারা আল্লাহকে প্রতারণা করতে চায়:** মুনাফিকরা বাহ্যিকভাবে মুসলিমের মতো আচরণ করে, কিন্তু তাদের অন্তরে ঈমান নেই। তারা আল্লাহর ইবাদত ও আদেশ-নিষেধ পালন করার ভান করে, কিন্তু তাদের উদ্দেশ্য থাকে মানুষের কাছে ধার্মিক ভাবমূর্তি তৈরি করা।
  • * **আল্লাহ তাদেরকে প্রতারণা করবেন:** আল্লাহ তাদের প্রকৃত চেহারা পরকালে উন্মোচন করবেন এবং তাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি দেবেন।
  • * **তারা নামাযে অলস:** মুনাফিকরা নামাযে অলসতা ও গাফলতির সাথে অংশগ্রহণ করে। তারা নামাযের সময় পূর্ণাঙ্গভাবে মনোযোগ দেয় না এবং দ্রুত নামায শেষ করার চেষ্টা করে।
  • * **তারা মানুষকে দেখানোর জন্য নামায পড়ে:** মুনাফিকদের নামায পড়ার মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের কাছে ধার্মিক ভাবমূর্তি তৈরি করা। তারা চায় মানুষ তাদেরকে দেখে ধার্মিক মনে করুক।
  • * **তারা আল্লাহকে অল্পই স্মরণ করে:** মুনাফিকদের মনে আল্লাহর ভয় ও ভালোবাসা খুব কম থাকে। তারা আল্লাহকে স্মরণ করে না এবং তাঁর আদেশ-নিষেধ লঙ্ঘন করে।

  • এশা ও ফজরের নামাযে উপস্থিত হতে তাদের কষ্ট হয় :
عَنْ اَبِيْ هُرَيْرَةَ  قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ  اِنَّ اَثْقَلَ الصَّلَاةِ عَلَى الْمُنَافِقِيْنَ صَلَاةُ الْعِشَاءِ وَصَلَاةُ الْفَجْرِ وَلَوْ يَعْلَمُوْنَ مَا فِيْهِمَا لَاَتَوْهُمَا وَلَوْ حَبْوًا

আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, নিশ্চয় মুনাফিকদের কাছে সবচেয়ে ভারী নামায হচ্ছে এশা ও ফজরের নামায। যদি তারা জানত যে, এ দুটির মধ্যে কী পরিমাণ ফযীলত রয়েছে, তবে তারা অবশ্যই উক্ত নামাযদ্বয়ে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও উপস্থিত হতো। [ইবনে মাজাহ, হা/৭৯৭; মুসনাদে আহমাদ, হা/১০১০২; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/১৪৮৪; সহীহ ইবনে হিববান, হা/২০৯৮।]

তারা দেরি করে নামায আদায় করে :

عَنِ الْعَلَاءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمٰنِ اَنَّهٗ دَخَلَ عَلٰى اَنَسِ بْنِ مَالِكٍ فِىْ دَارِهٖ بِالْبَصْرَةِ حِيْنَ انْصَرَفَ مِنَ الظُّهْرِ وَدَارُهٗ بِجَنْبِ الْمَسْجِدِ فَلَمَّا دَخَلْنَا عَلَيْهِ قَالَ اَصَلَّيْتُمُ الْعَصْرَ فَقُلْنَا لَهٗ اِنَّمَا انْصَرَفْنَا السَّاعَةَ مِنَ الظُّهْرِ قَالَ فَصَلُّوا الْعَصْرَ فَقُمْنَا فَصَلَّيْنَا فَلَمَّا انْصَرَفْنَا قَالَ سَمِعْتُ رَسُوْلَ اللهِ -- يَقُوْلُ تِلْكَ صَلَاةُ الْمُنَافِقِ يَجْلِسُ يَرْقُبُ الشَّمْسَ حَتّٰى اِذَا كَانَتْ بَيْنَ قَرْنَىِ الشَّيْطَانِ قَامَ فَنَقَرَهَا اَرْبَعًا لَا يَذْكُرُ اللهَ فِيْهَا اِلَّا قَلِيْلًا

আলা ইবনে আবদুর রহমান (রহ.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তিনি একদিন আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) এর বসরায় অবস্থিত বাড়িতে গেলেন। আর সে বাড়িটি মসজিদের পাশেই অবস্থিত ছিল। তিনি (আলা ইবনে আবদুর রহমান) তখন সবেমাত্র যুহরের নামায আদায় করেছেন। আলা ইবনে আবদুর রহমান বলেন, আমরা তাঁর (আনাস ইবনে মালেকের) কাছে গেলে তিনি আমাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা কি আসরের নামায আদায় করেছ? আমরা জবাবে বললাম, আমরা এইমাত্র যুহরের নামায আদায় করে আসলাম। এ কথা শুনে তিনি বললেন, যাও- আসরের নামায আদায় করে আসো। এরপর আমরা গিয়ে আসরের নামায আদায় করে তার কাছে ফিরে আসলে তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে বলতে শুনেছি যে- ঐ নামায হলো মুনাফিকের নামায, যে বসে বসে সূর্যের দিকে তাকাতে থাকে। আর যখন তা প্রায় অস্ত হয়ে যায় তখন উঠে গিয়ে ৪ বার ঠোকর মেরে আসে। এভাবে সে আল্লাহকে কমই স্মরণ করতে পারে। [সহীহ মুসলিম, হা/১৪৪৩, মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হা/৫১৪; আবু দাউদ, হা/৪১৩; তিরমিযী, হা/১৬০; নাসাঈ, হা/৫১১; মুসনাদে আহমাদ, হা/১২০১৮।]

উল্লেখিত আয়াত ও হাদীসসমূহে মুনাফিকদের নামাযের যে চিত্র তুলে ধরা হয়েছে তা হলো :

১। তারা যখন নামাযে দাঁড়ায় তখন অলসভাবে দাঁড়ায়। তাদের ঈমান, নিয়ত কিছুই সঠিক থাকে না এবং তারা আল্লাহকে ভয় করে না।

২। তারা নামাযের মধ্যে আল্লাহকে খুব কমই স্মরণ করে। নামাযের মধ্যে কী পড়ছে তা কিছুই বুঝে না। তাদের নামাযে মনোযোগ থাকে না।

৩। তারা নামাযের আরকান-আহকাম, রুকূ-সিজদা সঠিকভাবে আদায় করে না; বরং কাকের মতো কয়েকটা ঠোকর মেরে নামাযের দায় থেকে মুক্ত হতে চায়। তাদের নামাযে স্থিরতা থাকে না।

৪। তাদের নামাযে ইখলাস থাকে না, তারা লোক দেখানো নামায আদায় করে। মানুষের সামনে নিজেদেরকে নামায আদায়কারী হিসেবে তুলে ধরাই হলো তাদের নামাযের উদ্দেশ্য।

৫। তারা এশা ও ফজরের নামাযে উপস্থিত হতে খুবই কষ্টবোধ করে এবং বিভিন্ন ধরনের তাল-বাহানা করে থাকে।

৬। তারা নির্ধারিত সময়ে নামায আদায় না করে একেবারে ওয়াক্তের শেষ সময়ে নামায আদায় করে।

৭। তারা স্বাভাবিক থেকে সামান্য অথবা অনেক দ্রুত নামায আদায় করে।


Post a Comment

0Comments
Post a Comment (0)
banner